জেনে নিন কিভাবে ওয়েবসাইট খোলা যায় । এবং কামান মাসে $১০০০ ডলার।

84

কিভাবে website খোলা যায় ? বন্ধুরা যত দিন এগোচ্ছে তত এই প্রশ্নের অনুসন্ধান কারির সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে । কয়েক বছর আগে পর্যন্ত এই ওয়েবসাইট বানানোর শোরগোল কেবল ইংরাজি তে পারদর্শী লোক জনের মধ্যে সিমাবধ্য ছিল। কিন্তু ক্রমাগত প্রজুক্তির দ্রুত বিকাশ এর সাথে সাথে প্রায় সব ভাষার লোকেরাই  এই ওয়েবসাইট বানানো এবং তার থেকে আয়ের বিষয় টি তে আগ্রহি হয়ে পড়ছে । এখন হিন্দি,মারাঠি র মত আঞ্চলিক ভাষার ওয়েবসাইট এর সংখ্যা ও বেড়েই চলেছে।এবং এই ওয়েবসাইট বানানোর প্রতিযোগিতায় আমরা বাঙালিরাও পিছিয়ে নেই আমরা ও সমানে এগিয়ে চলেছি।

জানলে অবাক হবেন এখন কিছু দিন আগে Google Adsense এর নতুন আপডেট এর পর থেকে আমাদের বাঙালি ব্লগার বন্ধু রা ও এখন মাসে প্রায় $১০০০-$২০০০(৬৮,০০০-২,০০০,০০০ টাকা) ডলার এর ও বেসি টাকা কামাচ্ছে ।  তো বন্ধুরা আপনারাও যদি একটি ব্লগ ওয়েবসাইট বানিয়ে তা থেকে টাকা কামাতে চান তাহলে পোস্ট টি অবশ্যই পুরো পড়বেন। কিন্তু একটা কথা মনে রাখুন আজ ব্লগ খুলেই আসা করবেন না যে কাল থেকে আপনার $১০০০-$২০০০ ইনকাম সুরু হয়ে যাবে । এক জন সফল ব্লগার হতে গেলে আপনার যেটা বেসি থাকতে হবে সেটা হল ধৈর্য। ধৈর্য রাখুন আর পরিশ্রম করুন দেখবেন এক সময় আপনি আপনার আসার থেকেও বেসি কামাতে পারবেন।

Google Adsense এর নতুন আপডেট কি? গুগল এর পুরানো নিয়ম অনুযায়ী বাংলা ভাসার ব্লগে কোন রকম গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপণ দেখানো স্মভব ছিল না । কিন্তু Google Adsense এর নতুন আপডেট এর পর তা এখন স্মভব হয়েছে । এখন আপনি আমার ব্লগের উপরে ডান পাশে আর নিচে যে বিজ্ঞাপণ দেখছেন তার সব ই Google Adsense বিজ্ঞাপন।

ওয়েবসাইট কি?

আসা করি এই প্রশ্নের উত্তর এখন সবার জানা। আর জানা না থাকলেও সবার একটা মোটা মুটি ধারনা রয়েছে। তবুও এক বার সহজ ভাবে জেনে নেওয়া জাক ওয়েবসাইট কি ?

ধরুন আপনি আপনার কম্পিউটার এর নোটপ্যাড এ একটি কিছু সম্বন্ধে লিখে সেভ করলেন একটি .txt  ফাইল হিসাবে । তো এটি কেবল মাত্র আপনার কম্পিউটার এই থাকবে যা শুধু মাত্র আপনি দেখতে পারবেন। আর জদি চান আরও কেউ এক জন ওই ফাইল টি দেখুক তাহলে আপনাকে হয় পেন ড্রাইভ বা সিডি তে ফাইলটি ট্রান্সফার করে ওই ব্যাক্তিকে দিতে হবে।

কিভাবে website খোলা যায়

কিন্তু আপনি যদি ওই ফাইলটি কোন একটি নির্দিষ্ট সারভার এ আপলোড করেন তাহলে আপনার ওই ফাইল এর একটি নির্দিষ্ট লিঙ্ক থাকবে । যেমন-www.probangali.com/xyz.txt । এবং এই লিঙ্ক টি ধরে যে কেউ ই আপনার ফাইলটি পড়তে পারবে । যেহেতু আপনার txt ফাইলটি একটি মাত্র পেজ তাই এটি সারভার এ আপলোড করলে একে একটি ওয়েব পেজ বলা হবে। যদি কয়েকটি ফাইল একই সঙ্গে একটি সারভার এ রাখেন তখন পুর ব্যাপারটাকে একটি ওয়েবসাইট বলা হবে।

ওয়েবসাইট কত ধরনের ? ও কি কি ?

বর্তমানে অনেক ধরনের ওয়েবসাইট বানানো যায় তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল।

১। ই-কমার্স ওয়েবসাইট

২। বিজনেস ওয়েবসাইট

৩। টুলস ওয়েবসাইট

৪। ব্লগ ওয়েবসাইট

ই-কমার্স ওয়েবসাইট

এই ধরনের ওয়েবসাইট মুলত অনলাইন এ জিনিস পত্র বিক্রি করার জন্য বানানো হয় । একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর উদাহরণ-www.amazon.in ।

বিজনেস ওয়েবসাইট

এই ধরনের ওয়েবসাইট বিভিন্ন ব্যাবসাই তার ব্যাবসার বিবরণ বা প্রোডাক্ট এর বিবরণ বা অনলাইন বুকিং এর জন্য তৈরি করে।

টুলস ওয়েবসাইট

এই ধরনের ওয়েবসাইট বিভিন্ন ধরনের জটিল কাজে খুব সহজে সম্পন্ন করে । যেমন অনলাইন ফোট এডিটিং ওয়েবসাইট , ওয়েবসাইট স্পিড টেস্টিং অনলাইন ।

ব্লগ ওয়েবসাইট

ব্লগ ওয়েবসাইট অনেকটা আপনার ডাইরির মত এতে আপনি আপনার পছন্দ মত যা খুসি লিখতে পারেন। গ্লপ ,টিপস ,সায়েরি ইত্যাদি।

এখানে আমরা মুলত এই ব্লগ ওয়েবসাইট বানানো শিখবো। তো আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে website খোলা যায়।

কিভাবে website খোলা যায়

ওয়েবসাইট খোলার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে একটি হস্টিং প্লাটফর্ম বেছে নিতে হবে । এই হস্টিং প্লাটফর্ম দুই ভাবে আপনি পাবেন প্রথমত বিনা মূল্যে দিত্বিয়ত কিছু টাকা খরচ করে ।

1.Blogger 2.Wordpress

Blogger

Blogger এটি একটি google এর ফ্রি হস্টিং প্লাটফর্ম এখনে আপনি একদম বিনা মুল্যে আপনার ব্লগ ওয়েবসাইট খুলতে পারবেন।এর সারভার স্পিড সব সময় খুব দ্রুত। এখানে ওয়েবসাইট খোলা খুবই সহজ । এখানে যদি আপনি একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট খুলতে চান তাহলে আপনাকে শুধু মাত্র একটি ডোমেন নেম কিনতে হবে । যা আপনি আনুমানিক ১০০০ টাকার মধ্যে টপ লেভেল ডোমেন পেয়ে যাবেন যেমন- .in, .com, .org, .edu এগুলি হল টপ লেবেল ডোমেন তা না হলে আপনি ১০০-২০০ টাকার মধ্যে ও কাস্টম ডোমেন পেয়ে যাবেন যেমন- .me, .xyz, .online ইত্যাদি ।

আর যদি আপনি এখন ব্লগিং এ নতুন এবং বিনা মুল্যে ব্লগিং করে প্রথমে ব্লগিং এর ধারনা নিতে চান। তাহলে চিন্তা নেই আপনি গুগল সাব ডোমেইন দিয়েও ব্লগিং শুরু করতে পারেন।আর গুগল এই ব্লগস্পট সাব ডোমেন দিয়ে ও টাকা উপার্জন করতে পারবেন । কিন্তু একটু বেসি পরিশ্রম করতে হবে। একটি ব্লগস্পট সাব ডোমেন এর উদাহরণ-assistant-probangali.blogspot.com আর আপনি যদি ব্লগস্পটে কিভাবে একটি অয়েবসাইট খুলবেন তা জানতে চান কিভাবে website খোলা যায় এখানে ক্লিক করুন

WordPress

দুনিয়ার প্রায় সমস্ত রকমের ওয়েবসাইট হস্ট করার জন্য ৩০% আর ব্লগ ওয়েবসাইট এর জন্য ৭০% লোক WordPress ব্যবহার করেন। আপনি জদি চান আপনার ব্লগ ওয়েবসাইট ও WordPress এ খুলতে তাহলে আপনাকে বছরে ১০০০-১০০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হবে । হস্টিং এর মুল্য নির্ভর করবে আপনার পছন্দের প্ল্যান এর উপর ।

আসলে ব্লগিং এর জন্য WordPress কে এত পছন্দ করার কারন হল সাপোর্ট। এতে ৫০০০০ এর ও বেসি ফ্রি প্লাগিন আপনার ওয়েবসাইট কে আকর্ষণীয় করে তোলে।এস ই ও মানে গুগল প্রথম পেজে র‍্যাঙ্ক করতে প্রচুর সাহাজ্য করে। আরও অনেক নতুন সিস্টেম লাগাতে সাহাজ্য করে যেমন-Sign in ,Sign Up সিস্টেম। আরও দারুন দারুন গুরুত্ব পূর্ণ কাজ করতে পারবেন। আপনি যদি জানতে চান ওয়ার্ডপ্রেস এ কিভাবে website খোলা যায় তাহলে এই লিঙ্ক এখানে ক্লিক ক্রুন।

তো আমরা এখন মটা মুটি ভাবে জানি কিভাবে একটি ব্লগ অয়েবসাইট বানানো যায়।

এক জন সফল ব্লগার হিসাবে পরিচয় গড়তে যে যে বিষয় গুলি মাথায় রাখতে হবে ।

১।নির্বাচন করুন একটি সঠিক হস্টিং প্লাটফর্ম

কিভাবে website খোলা যায়

ইতি মধ্যে আমরা দুই ধরনের হস্টিং এর সাথে পরিচিত হয়েছি । আর আপনার যদি মোটা মুটি ভাবে ব্লগিং সম্বন্ধে ধারনা থেকে থাকে ।আমার মতে আপনি যদি এক জন সফল ব্লগার হিসাবে পরিচিতি লাভ করতে চান তাহলে WordPress এ আপনার ওয়েবসাইট শুরু করুন ।

কিন্তু যদি আপনি একদম নতুন এই ব্লগিং ফিল্ড এ তাহলে আমি বলব । আপনি কনও রকম চিন্তা ভাবনা না করে Blogger এ শুরু করুন।

একটি হস্টিং কেনার আগে আপনার এটা যানা দরকার এমনিতে  হস্টিং ৬ ধরনের কিন্তু  এখন তিন ধরনের হস্টিং আপনি  জেনে রাখুন।  ১।Shared hosting      ২।Managed hosting    ৩।Dedicated server hosting

 

  • Shared hosting- এই রকম হস্টিং প্ল্যান এ একটি  আই পি থেকে অনেক জন  গ্রাহক কে  এক সাথে  হস্টিং দেওয়া হয় ।এটি সব থেকে কম  দামি হস্টিং। আপনি যদি এই রকম  হস্টিং প্ল্যান কিনেন তাহলে  আপনার ওয়েবসাইট এ জদি এক সাথে ৫০ এর বেসি ভিজিটর আসে । তাহলে  আপনার ওয়েবসাইট এর  লডিং স্পিড কমে  যেতে  পারে । এর খরচ বছরে ২০০০-৩০০০ টাকা।

 

  • Managed hosting- এই রকম হস্টিং প্ল্যান  এ একটি আই পি থেকে এক জন  গ্রাহক কেই হস্টিং দেওয়া হয়।এতে খুব একটা সমস্যা দেখা যায় না ।কিন্তু জদি আপনার ওয়েবসাইট  এ দৈনন্দিন  ভিজিটর সংখ্যা ১০০০ এর বেশি তাহলে এই প্ল্যান আপনার জন্য নয় । এর খরচ বছরে ৩৫০০-৬২০০ টাকা।

 

  • Dedicated server hosting- এই রকম হস্টিং খুব ব্যায় বহুল  । বড় বড় কোম্পানি  এই প্ল্যান ব্যবহার করে অনেক সরকারি  ওয়েবসাইট ও এই হস্টিং ব্যবহার করে। এই রকম প্ল্যানে একটি পুরো সারভার গ্রাহককে হস্টিং এর জন্য দেওয়া হয়।

 

তো আসা করছি তথ্য গুলি আপনাকে একটি সঠিক হস্টিং প্ল্যান কিনতে সাহাজ্য করবে । আর আপনি চাইলে ব্লগার থেকেও ব্লগিং করতে পারেন।

২। নিস নির্বাচন করুন

বন্ধুরা ব্লগিং ফিল্ড সবচেয়ে প্রয়জনিয় ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সবচেয়ে কঠিন কাজ হল নিস নির্বাচন। একটি ব্লগ শুরু করার আগে আপনাকে এটা খুবই রিসার্চ করে ঠিক করতে হবে যে আপনি কি সম্বন্ধে লিখা শুরু করবেন । আপনি একটি ব্লগ অয়েবসাইট এ একটি মাত্র বিষয় নিয়ে লিখুন । আর যদি খুব দরকার হয় যেকোনো দুটি বিষয় নিয়ে পুর ব্লগে পোস্ট করতে থাকুন।

এখন আপনি ভাবতে পারেন যে আপনার যেটা ইচ্ছা সেটা নিয়ে লিখবেন তা ভালো কথা । শুরু করার আগে আপনি কি ওয়াড় রিসার্চ করে দেখুন। আপনি যে বিষয় নিয়ে লিখতে চাইছেন তা গুগল এ কেউ সার্চ করছে কিনা । আর যদি করছে দিনে কত জন ওই বিষয় টি সার্চ করছে। এবং এর কম্পিটিশন কত আছে । এই সব ডেটা জানার জন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন সেরা দুটি টুল।

Google Keyword Planner
Ubersuggest

অসাধারন এই দুটি টুল দিয়ে সহজেই আপনি খুঁজে বের করতে পারবেন একটি কম কম্পিটিশন যুক্ত হাই সার্চ করা কিওয়াড়। বন্ধুরা কি ওয়াড় রিসার্চ একটু সময় নিয়ে ভাল মত ডাটা খতিয়ে দেখে তার পর নিস নির্বাচন করুন । আর মনে রাখুন যখন ডোমেন নেম কিনবেন ।তখন অবশ্যই আপনার কি ওয়াড় ডোমেন নেমে রাখবেন । যেমন ধরুন আপনি একটি কি ওয়াড় নির্বাচন করলেন Best DSLR in India ।তাহলে আপনার ডোমেন নেম রাখবেন-www.best-dslr-in-india.com । এরকম করলে আপনার Article গুলি তাড়া তাড়ি গুগল এর প্রথম পেজ এ র‍্যাঙ্ক করবে।

৩। একটি সম্পূর্ণ SEO (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজড) পোস্ট লিখুন

কিভাবে website খোলা যায়

একটি পোস্ট লেখার আগে ভালো করে কি ওয়াড় রিসার্চ করুন । খুঞ্জে বের করুন এমন একটি কি ওয়াড় যা মাসে ১০০- ১০০০ বারের মধ্যে সার্চ করা হচ্ছে কিন্তু তার কম্পিটিশন “০” আছে এবার একটি SEO অপ্টিমাইজড পোস্ট লিখুন।

SEO মুলত দুই প্রকার – ১। On Page SEO ২। Off Page SEO

জানুন কিভাবে Google এর নতুন লে আউট এস ই ওর ভবিষ্যৎ নির্ধারিত করছে ।

On Page SEO

On Page SEO ব্যবহার করা হয় পোষ্ট লেখার সময়। এটি নির্ভর করে আপনার আরটিকল এর লেন্থ ,ইমেজ,কি ওয়াড় ব্যবহার এর উপর।চেস্টা করুন ২০০০ শব্দের বেশি শব্দ সমূহ পোস্ট লিখতে। এবং এমন একটি পোস্ট লিখার চেস্টা করুন যেটা আপনার ভিজিটরকে সম্পূর্ণ রুপে সাহাজ্য করবে। আর সুন্দর ভাবে গুছিয়ে হেডিং সাব হেডিং এর ব্যবহার করে পোস্ট লিখুন। ব্যবহৃত ছবিতে অল্ট টেক্সট দিন। আর প্রতি দিন পোষ্ট করুন।

Off Page SEO

Off Page SEO হল আপনার পোস্ট আপলোড করার পর ব্যাক লিঙ্ক তৈরি করা। ব্যাক লিঙ্ক তৈরি করা মানে আগে গুগল এর এল্গোরিথম অনুজাই যে পোষ্ট এর যত ব্যাক লিঙ্ক আছে সে পস্ট গুগলের সার্চ রেজাল্টে তত উপরে অবস্থান করবে। কিন্তু গুগল এল্গরিথম এর ক্রমাগত আপডেটের পর । যখন গুগল “হামিং বার্ড” ক্রলার এর আপডেট আসল। তার পর থেকে আপনার পোস্ট এ কত গুলি কুয়ালিটি ব্যাক লিঙ্ক আছে তার উপর নির্ভর করতে লাগল আপনার র‍্যাঙ্ক।

প্রায় সবাই এখন কমেন্ট , ফোরাম,ডাইরেক্টরি সাবমিসন ইত্যাদি ব্যাক লিঙ্ক বানাতে ব্যাস্ত । কিন্তু আমি বলছি বন্ধু আপনি যে কটা ব্যাক লিঙ্ক বানাবেন। চেস্টা করুন গেস্ট পোস্ট করে ব্যাক লিঙ্ক নেওয়ার। যদিও এটি ২০১৯ সালে খুব ই শক্ত ব্যপার ।তবুও চেস্টা করুন।আর চেস্টা করুন আপনার ব্লগের বিষয় বস্তুর রিলেটেড ব্লগ থেকেই ব্যাক লিঙ্ক নেওয়ার। দেখবেন আপনার কম ব্যাক লিঙ্ক হোয়ার পরেও আপনি গুগল এ ভাল র‍্যাঙ্ক করতে পারবেন।

সিধ্যান্ত

আমি লিখে দিতে পারি বন্ধুরা যদি আপনি জেগুলি বললাম সব কটা ভাল ভাবে কাজে লাগাতে পারেন তাহলে আপনি ফলা ফল পাবেন ই।

তবে হ্যাঁ মনে রাখবেন , আপনি রাতা রাতি এক জন সফল ব্লগার হতে পারবেন না । এর জন্য চাই ধৈর্য ,দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি আর পরিশ্রম । আপনার সফলতা আপনার উপর নির্ভর করে ।

আসা করি কিভাবে website খোলা যায় এই প্রশ্নের ভাল ভাবে উত্তর দিতে পেরেছি । পোস্টটি ভাল লাগলে লাইক করুন । কিছু প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানান। আর আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে তাদের ও জানতে সাহাজ্য করুন। ধন্যবাদ।

Pros

আপনি জখন ঘুমোবেন তখন ও টাকা কামান।

Cons

সময় সাপেক্ষ কাজ।

REVIEW OVERVIEW
5.00
OVERALL SCORE
Given Information
Content Quality

2 Comments

  • পোষ্টটি ভালোই লেগেছে। তবে বাংলা সাইট থেকে আয় করাটা অনেক কষ্ট। যদি বাংলা সাইটে ফেসবুক থেকে অনেক ভিজিটর ড্রাইভ করা যায় তাহলে মোটামুটি আয় করা যায়।

  • Darun post sir.

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *